মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

০১) আবর্তক ঋন ঃ সমাবায় সমিতির মাধ্যমে সদস্যপদ লাভ করে তা সমিতি কর্তৃক রেজুলেশন করে চাহিদা পত্র প্রথমে ঋন উপকমিটি কর্তৃক প্রাথমিক অনুমোদন করে উপজেলঅ ঋন কমিটির নিকট দাখিল করবেন। তারপর তা উপজেলা ঋন কমিটি কর্তৃক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর অনুমোদন করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জেলা দপ্তরে পাঠাবেন। জেলা দপ্তরের উপ-পরিচালক মহোদয় কর্তৃক তার নিয়মনীতি পরিচালনা করে উপজেলা ঋন কমিটির সুপরিবেশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত অনুমোদন বিতরনের ব্যবস্থা করে থাকে।

০২) আর্থিক বর্ষের শেষার্ধে অর্থাৎ৩০ জুন এর মধ্যে সমিতি পর্যায় ঋনচাহিদা সোনালী ব্যাংকে দাখিল করে বরাদ্ধ গ্রহন করা হয়।তারপর ব্যাংককতৃক বরাদ্ধ কৃতঋন যিমন গলদা,বাগদা,আউস,আমন,বোরো,পান ইত্যাদি খাতের ঋন বিভিন্ন মেয়াদে বিতরনের জন্য সময়ের সীমাবদ্ধতা বেঁধে দেয়ি।উত্ত নিদ্ধারিত সমায়ে মৌসুম মতে ঋন বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহন করে থাকি।

03) সদাবিক ঋনঃ সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কর্মসুচী (সদাবিক)ত্রকটি অনানুষ্ঠানিক কর্মসূচী। এই কর্মসূচী দলগুলোকে বিভিন্ন আয় বর্ধক কর্মকান্ডে ঋন দিয়ে থাকি।দল পর্যায়ে ঋনের চাহিদা প্রথমে ঋন উপকমিটি কর্তৃক আনুমোদনের পর উপজেলা ঋন কমিটির নিকট দাখিল করা হয়। তারপর তা উপজেলা ঋন কমিটির কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদনের পর দলের সদস্যদের নিকট বিতরণের ব্যবস্থা গ্যহণ করে থাকি।

 

০৪) দুপউস: দু:স্থ্য পরিবার উন্নয়ন সমিতি বিআরডিবির একটি প্রকল্প বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ও যাত্রাপুর ইউনিয়নে বাস্তবায়ন হচ্ছে।প্রকল্পের সদস্য/সদস্যদের ঋন কার্যক্রম সহ সার্বিক কার্যক্রম কার্যনির্বাহ কমিটির মাধ্যমে অনুমোদন করে।

 

০৫)পল্লী প্রগতি প্রকল্প : বাগেরহাট সদর উপজেলাধীন কাড়াপাড়া ইউনিয়নে পল্লী প্রগতি প্রকল্পের কার্যক্রম চালু আছে। প্রকল্পটি কাযৃক্রম তদারকি করার জন্য উপজেলা ঋন কমিটি হিসেবে একটি কমিটি আছে। কমিটির সভাপতি হসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদস্য হিসেবে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেযারম্যান এবং সদস্য সচিব হিসেবে উপজেলা পল্লি উন্নয়ন অফিসার দায়িত্ব পালন করে থাকেন।উক্ত কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্য/সদস্যদের মধ্যে ঋন বিতরনের ব্যবস্থা হয়ে খাকে।

 

০৬) অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সন্তানদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষনত্তোর ঋন প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসার যথাযথ থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সদস্য, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সদস্য এবং উপজেলা পল্লি উন্নয়ন অফিসার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ঋন অনুমোদন করে তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য বিতরণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

 

০৭)গুচ্ছগ্রাম: সরকার কর্তৃক অবহেলিত ও নিপীড়িত জনমানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য খাস জমিতে আবাসন তৈরী করে তাদের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্তে ও উপজেলা পল্লি উন্নয়ন অফিসার সদস্য সচিব এর দায়িত্ব দিয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে সদস্য করে ঋন কমিটি গঠন করে তাদের মাধ্যমে অনুমোদন করে ঋন বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

 

০৮)আদর্শগ্রাম : উপজেলা পর্যায়ে বিআরডিবির  কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে ঋন কমিটি গঠন করে তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আদর্শগ্রামের সুফল ভোগীদের মধ্যে ঋন প্রদান করেন।